কুমারখালী প্রতিনিধি : কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে একটি দুই তালা বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। সূত্রে জানা যায়,গত ৩ জানুয়ারি শুক্রবার রাত আনুমানিক তিনটার দিকে উপজেলার শিলাইদহ ইউনিয়নের মাজগ্রাম এলাকার শামসুল জোয়ার্দারের বাড়িতে এই চুরির ঘটনা ঘটে। শামসুল জোয়ার্দারের বাড়ির নিচ তলায় ব্রাক এনজিওর অফিস ও দ্বিতীয় তলাতে পরিবারসহ বসবাস করতেন। ঘটনার দিন রাতে তিনি ঐ বাড়িতে না থাকায় চোর চক্র বাসার নিচ তলার সেফটি গেটের তালা ভেঙে ২ টি মোটরসাইকেল ও দ্বিতীয় তলায় প্রবেশ করে স্টিলের আলমারি ভেঙে নগদ ১ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা এবং সেখানে থাকা প্রায় ৪ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়। এই ব্যাপারে র্ব্যাক ব্যাংকের শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে তার মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায় । তবে র্ব্যাক ব্যাংকের ঐ শাখায় কি পরিমান ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে তা এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। বাড়িতে থাকা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় সংঘবদ্ধ চোর চক্রের দু’জন সদস্য অনেকটা নির্বিঘ্নে বীরদর্পে মোটরসাইকেল দুটি চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এ ঘটনায় রবিবার সন্ধ্যায় কুমারখালী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী শামসুল জোয়ার্দার। এবিষয়ে শামসুল জোয়ার্দার বলেন,সুযোগ সন্ধানী সংবদ্ধ চোর চক্রটি আগে থেকেই পরিকল্পিত ভাবে আমার বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে,তবে চক্রটির টার্গেট ছিলো র্ব্যাক অফিসও লুট করা কিন্তু র্ব্যাক অফিসের অত্যাধিক শক্তিশালী তালা ভাঙতে না পেড়ে উপর তলায় আমার বাড়িতে চুরি করে। প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করছি আমার বাসায় চুরির সাথে স্থানীয় কয়েকজন জড়িত রয়েছে। ভুক্তভোগীর স্ত্রী জানান,আমাদের ২ তলা বিশিষ্ট বাড়ির নিচতলা র্ব্যাক এনজিওর কাছে ভাড়া দিয়েছি, দুই ইউনিটের বাড়ির দ্বিতীয় তলায় সংস্কারের কাজ চলায় আমরা স্বামী-স্ত্রী পাশের ভবনে ছিলাম,এই সুযোগেই আশপাশের কিছু লোকজনের সহযোগিতায় আমার এতবড় ক্ষতি করতে পেরেছে চক্রটি । আমার স্বামী শারীরিক ভাবে মারাত্মক অসুস্থ থাকায় এখন আমি অনেকটাই দিশেহারা।
কুমারখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোলায়মান শেখ জানান,অভিযোগ পত্র পেয়েছি, একজন সাব ইন্সপেক্টর (এস,আই) কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তদন্ত সাপেক্ষে বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ দেখে চোর চক্রটিকে মালামালসহ গ্রেফতার করার জন্য আমাদের জায়গা থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে খুব দ্রুত গ্রেফতার করা হবে চোর চক্রের মূলহোতা সহ সকলকে।গ পত্র পেয়েছি, একজন সাব ইন্সপেক্টর (এস,আই) কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তদন্ত সাপেক্ষে বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ দেখে চোর চক্রটিকে মালামালসহ গ্রেফতার করার জন্য আমাদের জায়গা থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে খুব দ্রুত গ্রেফতার করা হবে চোর চক্রের মূলহোতা সহ সকলকে।
কুমারখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোলায়মান শেখ জানান,অভিযোগ পত্র পেয়েছি, একজন সাব ইন্সপেক্টর (এস,আই) কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তদন্ত সাপেক্ষে বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ দেখে চোর চক্রটিকে মালামালসহ গ্রেফতার করার জন্য আমাদের জায়গা থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে খুব দ্রুত গ্রেফতার করা হবে চোর চক্রের মূলহোতা সহ সকলকে।গ পত্র পেয়েছি, একজন সাব ইন্সপেক্টর (এস,আই) কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তদন্ত সাপেক্ষে বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ দেখে চোর চক্রটিকে মালামালসহ গ্রেফতার করার জন্য আমাদের জায়গা থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে খুব দ্রুত গ্রেফতার করা হবে চোর চক্রের মূলহোতা সহ সকলকে।