তরুণ কলাম লেখক ফোরাম ইবি শাখার লেখক সম্মেলন ও সম্মাননা অনুষ্ঠানে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, ‘পাঠকের মৃত্যু ঘটে কিন্তু লেখকের নয়। কারণ লেখার মৃত্যু ঘটে না। যুগ যুগ ধরে তা পাঠক শ্রেণীর মাঝে বেঁচে থাকে। তিনি বলেন, জ্ঞানের সমৃদ্ধির ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায় লেখনির মাধ্যমেই পৃথিবীতে জ্ঞানের যাত্রা শুরু হয়েছে।’ সোমবার তরুণ কলাম লেখক ফোরাম ইবি শাখার লেখক সম্মেলন ও সম্মাননা অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, লেখা সমাজ দর্শনকে মানুষের কাছে তুলে ধরে। লেখার মাধ্যমেই সমাজকে চেনা যায়। কোরআনের প্রথম দিকের আয়াত নাজিল হয়েছে কলমকে উল্লেখ করে। সভ্যতার ইতিহাস যারা বিনির্মাণ করেছেন, বিপ্লব ঘটিয়েছেন তারা সবাই লেখক ছিলেন। লেখক কলমের মাধ্যমে মানুষের চিন্তার পরিবর্তন ঘটিয়ে সমাজকে বিনির্মাণ করে। এজন্য লেখক সন্ত্রাস হয় না, হয় শান্তিপ্রিয়।
সৃষ্টিশীল, ইনফরমেটিব এবং গবেষণামূলক- লেখকের এই তিনটি দরকার। সবাই লেখলেখি করলেই বিশ্ববিদ্যালয় মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হবে। এজন্য তোমরা যারা লিখবে লেখার নৈতিকতা মেনে চলবে। এমন কোন লেখা লিখবে না যা মানুষের উপকারে আসবে না এবং সমাজের জন্য ক্ষতিকর।
বেলা ১২টায় টিএসসিসির বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে এ সম্মেলনের আয়োজন করে সংগঠনটি। এতে প্রায় শতাধিক তরুণ লেখক অংশগ্রহণে করেন। এ সময় সংগঠনটির সভাপতি খায়রুজ্জামান খান সানির সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ট্রেজারার প্রফেসর ড. আনোয়ারুল করিম, ছাত্র উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মো. ওবায়দুল ইসলাম, টিএসসিসি পরিচালক প্রফেসর ড. মো. জাকির হোসেন ও আইআইইআর পরিচালক প্রফেসর ড. মো. ইকবাল হোছাইন।সংবাদ বিজ্ঞপ্তি