স্টাফ রিপোর্টার :
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুষ্টিয়া–৩ সদর আসনে ভোট গ্রহণে দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাচনী কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় কুষ্টিয়া জিলা স্কুলে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
প্রথম দিনের প্রশিক্ষণে পোলিং অফিসার ও সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা অংশ নেন। পোলিং অফিসারদের জন্য দুই শিফটে প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। প্রশিক্ষণ বাবদ পোলিং অফিসারদের ৫০০ টাকা এবং সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের ১ হাজার টাকা করে সম্মানী প্রদান করা হয়। পাশাপাশি প্রত্যেক প্রশিক্ষণার্থীকে একটি করে কলম, প্যাড, নির্বাচনি ম্যানুয়াল ও প্লাস্টিক ফাইল সরবরাহ করা হয়।
সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ওয়াহিদা সুলতানা প্রশিক্ষণ কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করেন। তিনি জানান, এ প্রশিক্ষণ ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে।
নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, কুষ্টিয়া–৩ সদর আসনে মোট ১৪২টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এসব কেন্দ্রে মোট ৮৬৭টি বুথে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি কেন্দ্রে একজন করে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া প্রতিটি বুথে একজন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা এবং তার সঙ্গে দুইজন করে পোলিং অফিসার নিয়োজিত থাকবেন।
এই হিসাবে মোট পোলিং অফিসারের সংখ্যা দাঁড়ায় ১ হাজার ৭৩৪ জন। এর বাইরে প্রতিটি পদের জন্য অতিরিক্ত ৫ শতাংশ কর্মকর্তাকেও প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হয়েছে বলে জানান উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা।
নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য করতে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের দায়িত্ব, আচরণবিধি ও নির্বাচন পরিচালনার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ওয়াহিদা সুলতানা বলেন, “আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতেই এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের দায়িত্ব ও আচরণবিধি স্পষ্টভাবে জানানো হচ্ছে, যাতে ভোটকেন্দ্রে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি বা অনিয়মের সুযোগ না থাকে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তারাই একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের প্রধান ভরসা।”

