ইবি সংবাদদাতা:
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপাচার্য প্রফেসর ড. এ কে এম মতিনুর রহমানের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন শাখা ছাত্রদল। মঙ্গলবার (২০ মে) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে উপাচার্যের অফিস কক্ষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় পরিচ্ছন্ন ক্যাম্পাস, শিক্ষার্থীবান্ধব নীতিমালা প্রণয়ন, বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্ত বাতিল, সেবাখাতে ডিজিটালাইজেশন ও জিয়াউর রহমান হলের অব্যবস্থাপনা দূরীকরণে কার্যকরী পদক্ষেপের দাবি জানান সংগঠনটি।
সভায় উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. এয়াকুব আলী, শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার পারভেজ, যুগ্ম আহ্বায়ক উল্লাস মাহমুদ, সদস্য রাফিজ আহমেদ ও নূর উদ্দীন। এছাড়া রোকনুজ্জামান, রিয়াজ উদ্দীন, তৌহিদুল ইসলাম, আরিফুল ইসলাম জনি-সহ সংগঠনটির অন্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
নেতৃবৃন্দ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ঝালচত্বর সংলগ্ন আম তলায় বৃষ্টিতে পানি জমে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দ্রুত বালু ফেলে তার সমাধান জরুরি। সেবাখাত বিশেষ করে ভর্তি কার্যক্রমে ওয়ান টপ সার্ভিস ও একাডেমিক শাখা ডিজিটালাইজেশন ও সেশন ফি কমানো অতীব জরুরি। বিশ্ববিদ্যালয়ের আল ফিকহ অ্যান্ড ল বিভাগের ভর্তি প্রক্রিয়ায় বিদ্যমান কোটা বাতিল ও পৌষ্য কোটা বাতিল করতে হবে।
তারা আরও বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামে করা জিয়া হল সবচেয়ে বেশি অবহেলিত অবস্থায় আছে। হলে ক্লিনার সংকটে সর্বদা অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে শিক্ষার্থীদের থাকতে হয়। ট্রেজারার বরাবর একজন ক্লিনারের চাহিদা চাইলেও এখন দিতে পারবে না বলে জানানো হয়। এছাড়া ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানান তারা।
উপাচার্য প্রফেসর ড. মতিনুর রহমান বলেন,
গুচ্ছের শর্ত মেনেই আমরা ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছি। যেহেতু কাজটি ইতোমধ্যে প্রক্রিয়াধীন তাই এবার কোটা বাতিল করা সম্ভব নয়। ভবিষ্যতে এ নিয়ে আমরা চিন্তা করে দেখবো। এছাড়া ছুটির মধ্যেই জিয়া হলের বেশকিছু সংস্কার কাজ সম্পন্ন করার চেষ্টা করবো। সেবাখাত ডিজিটালের জন্য দ্রুতই বিশেষজ্ঞ টিমের সাথে আলোচনায় বসবো। তবে সেবাখাতে বাজেট কম থাকায় সেশন ফি আরও বৃদ্ধির দাবি প্রত্যাশা করি।
এছাড়া ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারে আজ প্রক্টরিয়াল বডি, ডিন, প্রভোস্ট ও সংশ্লিষ্টদের সাথে মিটিং করেছি।

